reporterআজকের টাইমস ডেস্ক
  ২ মাস আগে
Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
pinterest sharing button
sharethis sharing button

চাঁদ দেখে রোজা রাখার গুরুত্ব

চাঁদ দেখার পর ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত রোজা, ঈদ ও কোরবানির দিন তারিখ নির্ধারিত হয়। অধিকাংশ আরবি মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। তাই রমজানের শুরুর দিনক্ষণ জানতে শাবান মাস শেষে রমজানের চাঁদ দেখার এবং চাঁদ ওঠার সঠিক খবরের অপেক্ষায় থাকেন পুরো বিশ্বের মুসলমানেরা।

চাঁদ দেখে রোজা রাখুন : মুসলমানেরা চাঁদ দেখে রোজা রাখা এবং চাঁদ দেখে রোজা ভাঙা ও ঈদ পালনের বিষয়টি মূলত হাদিসের নির্দেশনা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণে করে থাকেন। ইসলামি আইনজ্ঞদের মতে, শাবান মাসের ২৯ তারিখ সামগ্রিকভাবে চাঁদ দেখা ফরজে কেফায়া। আর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ব্যক্তিগত আমলের কারণে প্রত্যেক মোমিনের জন্য আকাশে চাঁদের অনুসন্ধান করা মুস্তাহাব। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা (নতুন চাঁদ) না দেখা পর্যন্ত রোজা রেখ না এবং তা (নতুন চাঁদ) না দেখা পর্যন্ত রোজা ছেড়ে দিও না।’ (মুয়াত্তায়ে মালেক : ৬৩৫)।

চাঁদ দেখা নিয়ে জটিলতায় করণীয় : শাবান মাসের শেষে চাঁদ দেখা নিয়ে অনেক সময় জটিলতা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ইসলামি আইনজ্ঞদের মতামত হলো, নিজে চাঁদ দেখা বা চাঁদ দেখেছে এমন ব্যক্তির সাক্ষ্যগ্রহণ করা কিংবা শাবান মাস পূর্ণভাবে অতিবাহিত করা ছাড়া রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনও রমজান মাসের রোজা পালন শুরু করতেন না। ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, ‘মানুষ সম্মিলিতভাবে চাঁদ দেখতে লাগল, তাদের মধ্যে আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এসে সংবাদ দিলাম- আমি চাঁদ দেখেছি। এ সংবাদের ওপর ভিত্তি করে রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে রোজা রাখলেন এবং সবাইকে রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।’ (সুনানে আবি দাউদ : ২৩৪)।

চাঁদ দেখার সাক্ষ্যদানে রোজা : আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত; একজন গ্রাম্য সজ্জন ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে আরজ করলেন, ‘আমি রমজানের চাঁদ দেখেছি।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি কি সাক্ষ্য প্রদান কর, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই?’ লোকটি উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি কি সাক্ষ্য প্রদান কর, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) এরপর বেলাল (রা.)-কে লক্ষ্য করে বললেন, ‘হে বেলাল! মানুষকে জানিয়ে দাও, তারা যেন আগামীকাল রোজা রাখে।’ (সুনানে আবি দাউদ : ২৩৪০)।

  • সর্বশেষ