reporterআজকের টাইমস ডেস্ক
  ৭ মাস আগে
Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
pinterest sharing button
sharethis sharing button

স্টার সিনেপ্লেক্সে তিন হলিউড সিনেমার মুক্তি

ভালোবাসার মাসে স্টার সিনেপ্লেক্সের পর্দায় আসছে হলিউডের তিন সিনেমা। ‘২৮ ইয়ার্স লেটার’-এর সিক্যুয়েল এবং ‘২৮ ডেজ লেটার’ ফ্রাঞ্চাইজির চতুর্থ সিনেমা ‘২৮ ইয়ার্স লেটার: দ্য বোন টেম্পল’সহ মুক্তি পাচ্ছে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীভিত্তিক সিনেমা ‘মার্সি’ এবং হরর সিনেমা ‘প্রাইমেট’। গতকাল সোমবার মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলো।

গেল বছরের জুনে মুক্তি পেয়েছিল ‘২৮ ডেজ লেটার’ সিরিজের সিনেমা ‘২৮ ইয়ার্স লেটার’। অস্কারজয়ী ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়র’ খ্যাত পরিচালক ড্যানি বয়েল নির্মিত সিনেমাটি দারুণ সাফল্য পায়। আয়ের দিক থেকে সিরিজের পূর্ববর্তী সিনেমাগুলোকে ছাড়িয়ে যায় এটি। এমন সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতে দর্শকদের সামনে আসছে এই সিরিজের আরও একটি সিনেমা। ‘২৮ ইয়ার্স লেটার: দ্য বোন টেম্পল’ নামের এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে ১৬ জানুয়ারি। ‘২৮ ইয়ারস লেটার’-এর সিক্যুয়েল এবং ‘২৮ ডেজ লেটার’ ফ্রাঞ্চাইজির চতুর্থ সিনেমা ‘২৮ ইয়ার্স লেটার: দ্য বোন টেম্পল’। নিয়া ডা কস্টা পরিচালিত এ সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাফ ফিয়েনেস, জ্যাক ও’কনেল, আলফি উইলিয়ামস, এরিন কেলিম্যান, চি লুইস-প্যারি প্রমুখ।

বোন টেম্পল আসলে কোনো সাধারণ জায়গা নয়, এটি একটি প্রতীক। এখানে মানুষের হাড়, বিশ্বাস, মৃত্যু আর ক্ষমতা মিলেমিশে তৈরি করেছে এক ভয়ংকর ধর্মীয় কেন্দ্র; যেখানে মানুষকে মানুষ হিসেবে নয়, সম্পদ বা বলি হিসেবে দেখা হয়। সিনেমাটি ধীরে ধীরে দেখায়, কীভাবে ভয় মানুষকে অমানুষ করে তোলে, কীভাবে বেঁচে থাকার লড়াই বিশ্বাসকে অস্ত্রে পরিণত করে আর কীভাবে নতুন প্রজন্ম পুরোনো পৃথিবীর পাপের বোঝা বহন করে। রেজ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ২৮ বছর পর, ব্রিটেন আর আগের মতো নেই। সংক্রমিতরা এখনও আছে, কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে মানুষই। সভ্যতা ভেঙে পড়ে এখন বিভিন্ন গোষ্ঠী, ধর্মীয়-ধাঁচের কাল্ট ও আধা-সামরিক শাসনে বিভক্ত এক ভয়াল সমাজ তৈরি হয়েছে।

এই গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এক কিশোর ছেলে স্পাইক, যে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের খোঁজে একটি শক্তিশালী ও রহস্যময় গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এই গোষ্ঠীর নেতা সার জিমি ক্রিস্টাল একজন ক্যারিশমাটিক কিন্তু ভীতিকর কাল্ট-লিডার, যার শাসন চলে ভয়, বিশ্বাস আর সহিংসতার মাধ্যমে। একই সময়ে ড. ইয়ন কেলসন নামের এক বিজ্ঞানী এমন এক ধারণা বা প্রকল্পে কাজ করছেন, যা মানবজাতির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ভবিষ্যৎ কি মুক্তির নাকি আরও ভয়াবহ নিয়ন্ত্রণের? সিনেমার ফোকাস শুধুই জম্বি সংক্রমণ নয়, মানুষের মধ্যে থাকা অমানুষিকতা, ধর্মীয় বা শক্তি-ভিত্তিক উগ্রবাদ, বেঁচে থাকার ক্রমাগত চাপ-ই মূল ভয়ের উৎস।

  • সর্বশেষ