বই পড়ার অভ্যাস মেধাকে বিকশিত করে: শামীমা নাসরিন

কথায় আছে, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। কিছু মানুষ আছে যারা জন্ম থেকেই তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে চেষ্টা চালিয়ে যায় নিরলস। স্বপ্নবুনা মানুষ শামীমা নাসরিন। যিনি ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্নের পথে এগিয়ে গেছেন অবিরাম। তার স্বপ্নযাত্রার অগ্রসরতায় নিজেকে গড়ে তুলেছেন স্বমহিমায়। একজন শুদ্ধ সংগীতশিল্পী এবং কবি হিসেবে এখন তিনি সুধীমহলে ব্যাপক সমাদৃত। সংগীত ও লেখালেখিতে নিমগ্ন শামীমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়।
শিশুকাল থেকেই বাসায় বসে টুকটাক লেখালেখি ও সংগীত চর্চা করতে থাকেন শামীমা। সংগীতের প্রতি প্রবল বাসনা থেকে শৈশবেই তিনি ভর্তি হন বুলবুল ললিতকলা একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফায়)।
বই প্রেরণা জোগায় ভালো মানুষ হতে। বই পড়ার অভ্যাস মেধাকে বিকশিত করে। সম্প্রতি কবি ও কণ্ঠশিল্পী শামীমা নাসরিনের কাব্যগ্রন্থ কবিতার সাতকাহন ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। ছায়াবীথি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত কবিতার সাতকাহন নামক বইটি লেখকের ষষ্ঠতম কবিতার বই। এর আগে কবি শামীমা নাসরিনের আরো পাঁচটি বই দারুণভাবে কবিতাপ্রেমিদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল।
সংগীত ও লেখালেখিতে নিমগ্ন শামীমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ঢাকায়। বহুমুখী প্রতিভাবান শামীমা নাসরিন সংগীতের পাশাপাশি সমানতালে চালিয়ে গেছেন লেখালেখিও। েপুতুলের বিয়ে’ নামে একটি কবিতার মাধ্যমে শৈশব থেকেই তাঁর লেখালেখির জগতে প্রবেশ।
এরপর ১৯৯৯ সালে অনার্স প্রথমবর্ষে থাকাকালীন সময়ে শামীমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তুমি যে আমার কবিতা’ প্রকাশিত হয়। বইটি ওই সময় ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পায় যার ফলে বইটির তৃতীয় মুদ্রণ করতে হয়। শামীমার অন্যান্য পাঁচটি কাব্যগ্রন্থ হলো- তুমি যে আমার কবিতা, কবিতার নির্বাসন, ফেরারি কবিতা, কবিতার প্রহর এবং কবিতার অন্বেষণে।
তার লেখা কবিতার প্রতিটি কাব্যে শব্দের গাঁথুনি দিয়ে নান্দনিকভাবে তুলে ধরেন স্বপ্ন কিংবা সমাজ ভাবনা, প্রেম ভালোবাসা এবং বিরহের মোলায়েম আকুতি। দেশের গান এবং কবিতার প্রতি শামীমার বিশেষ টান বা মায়া জড়িয়ে আছে। সুযোগ পেলেই দেশকে নিয়ে গাইতে এবং লিখতে ভালোবাসেন।
সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন শুভজনের সহ-সভাপতি শামীমা নাসরিনের প্রতি রইল নিরন্তর শুভকামনা।
